
মোঃ আহসান হাবীব জেলা প্রতিনিধি,রাজশাহী।
পূর্বসতর্কতা: ক্যাম্প ইনচার্জ সাইফুল ইসলাম দায়িত্বনপরিচয় দেন, বরং তিনি বেশ কিছুদিন ধরে মসজিদের মাইক ব্যবহার করে এলাকাবাসীকে সীমান্তের সংবেদনশীলতা এবং সেখানে না যাওয়ার ব্যাপারে সচেতন করেছেন। অর্থাৎ, কৃষকরা জানতেন যে সীমানার কাছে যাওয়া ঝুঁকিপূর্ণ।
বিজিবির তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ: গরুগুলো যখন ভুলবশত বা অসতর্কতাবশত ওপারে চলে যায়, তখন বিজিবি কমান্ডার কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা (যেমন বিএসএফ-এর গুলিবর্ষণ বা গরু জব্দ হওয়া) ঘটার আগেই সেগুলো ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করেন। এটি কৃষকদের জানমালের সুরক্ষায় বিজিবির সক্রিয় ভূমিকারই প্রমাণ।
জরিমানার স্বচ্ছতা: আপনি জানিয়েছেন যে ১২,০০০ টাকার মধ্যে ৮,০০০ টাকা সরকারি তহবিলে জমা দেওয়া হয়েছে। এটি প্রমাণ করে যে অর্থ আত্মসাৎ নয়, বরং সরকারি নিয়ম মেনেই খোয়াড়ের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। বাকি ৪,০০০ টাকা খোয়াড় মালিকের রক্ষণাবেক্ষণ খরচ হিসেবে ধরা হয়েছে।
কেন এই ভুল বোঝাবুঝি বা মিথ্যা সংবাদ?
কৃষকদের অসচেতনতা: বিজিবির বারবার নিষেধ সত্ত্বেও চরের ঘাসের লোভে বা অসতর্কতায় রাখালরা গরুগুলো সীমানার কাছে নিয়ে যায়। জরিমানা এড়াতে তারা বিজিবির ওপর দায় চাপানোর চেষ্টা করতে পারে।
তথ্য বিভ্রাট: সংবাদকর্মীরা হয়তো স্থানীয়দের একপাক্ষিক অভিযোগ শুনেছেন এবং বিজিবির পূর্ববর্তী প্রচারণার (মাইকিং) বিষয়টি যাচাই করেননি।
নিরাপত্তা বনাম স্বাধীনতা: সীমান্তে কড়াকড়ি থাকলে স্থানীয়দের অবাধ চলাচলে বাধা সৃষ্টি হয়, যা অনেক সময় বিজিবি এবং স্থানীয়দের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি বা ক্ষোভের সৃষ্টি করে।
একজন কর্মকর্তা যখন মসজিদের মাইকের মতো ধর্মীয় ও সামাজিক মাধ্যম ব্যবহার করে সতর্ক করেন, তখন তাকে “দায়িত্বহীন” বলা অন্যায়। বরং কৃষকদের উচিত ছিল বিজিবির নির্দেশনা মেনে চলা যাতে করে সীমান্ত আইন লঙ্ঘিত না হয়।